কবি না -অনন্য রাসেল
ভদ্রলোক আর যাই হোক কবি না
-অনন্য রাসেল
কোর্ট প্যান্ট পরা ভদ্রলোক যখন কবিতা লেখেন তখন সেটা হয়ে যায় প্লাটিনামের মতো দামী পণ্য।
তাতে গরীব মানুষের প্রতিচ্ছবি থাকিলেও তাতে গরীবের মন খুঁজে পাওয়া যায় না।
কবি গরীবের চেয়ে অধ।গরীব সীমার নিচে বসবাস।
তাই কবিতার আসরে কবির জায়গা হয় ভিখারির মতো।
একটু ভালো খাবারের,সুনামের ক্ষুধা মেটাতে কবিরা মৌমাছির মতো জড়ো হয়।
ভদ্রলোকেরা আসরের মধ্য মনি হয়ে গলাবাজি করে।
আর কবি তারে চেয়ার বয়ে দেয়।
আসন ছেড়ে চলে যায় গরীবদের কাছে।
ভদ্রলোক দুই একবার নাম উচ্চারণ করলে জান্নাত নেমে আসে তার বুকে ঠিক গরীবের মতো ধনীরা তাদের আত্মীয়তার পরিচয় দিলে যেমন জান্নাত হাতে পায়।
আসলে গরীবেরাই কবি।
তাদের জীবন আস্ত কবিতা।
যার শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই।
আদি অনাদি অন্তহীন কবিতা।
কবি ভদ্রলোক হলে সে আর কবি থাকে না।
হয়ে কাব্য মহাজন।
সাহিত্য সংগঠন হয় তার ব্যাংক।
অনায়াসে বনে যায় মালিক অধিপতি।
তারে আর বলা যায় না।
এবার কবিতা ছাড়।
কবিতা তোমার হয় না।
তুমি প্লাটিনাম প্রসব করছ
যার দরে তুমি বাংলা একাডেমি কিংবা শিল্পকলার প্রভু হবে।
হুইসেল দিতে দিতে চলে যাবে বঙ্গভবনে।
আলাপে সালাপে কান ভরে যাবে রাষ্ট্র দেবতার।
গণভবনে মিলবে কাঁঠালে প্রসাধ।
আর তোমার কবিতারা দু মুঠো ভাতের জন্য ভুখা মিছিল করবে।
ভদ্রলোক আর যাই হোক কবি না।

Comments
Post a Comment